চোর-ছ্যাঁচোড় মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দাড়িপাল্লায় ভোট দাও!
আওয়ামী বেশ্যা শেখ হাসিনার দেশ পলায়নের কয়েকদিন পর থেকেই খালেদার পশ্চাদ্দেশের নিচে লুকিয়ে থাকা বিএনপির নেতাহাতারা বেরিয়ে এসে চান্দা ধান্দার কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। রেভুল্যুশন শেষ হওয়ারও প্রায় দেড় বছর পর ষাট বছর বয়েসী "তারুণ্যের অহংকার" খাম্বা তারেক লন্ডন থেকে গৃহে ফিরেছে। প্রায় দু দশক আগে তার মা ক্ষমতায় থাকার সময় কি পরিমান দেশের পয়সা মেরে খেয়ে ওদিকে পাচার করেছে সেটা তারেকের জীবনযাত্রার মান দেখেই আঁচ করা যায় । রাজনীতি এদের জন্য একটি পারিবারিক ব্যবসা। তবুও হারমোনিয়াম বাজিয়ে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়া দেশের সুশীল সমাজ নামক চোদনার জাতগুলো আওয়ামীলীগের অভাবে ভোট খাম্বা তারেককেই দেবে। এসব তথাকথিত "সুশীল" পরিবারের অর্থ উপার্জনের একমাত্র উৎস হলো সরকারি অফিসের টেবিলের তলা। এসব সুশীলদের চুরি চামারীর জন্যই দেশের অসহায় রোগীরা শুয়ে থাকে হাসপাতালের বারান্দায়। এসব চশমা-শাড়ি পড়া সুশীল মাগীদের চটর-বটর কথা শুনে দেশের হাবাগোবা জনতা সুশীলদেরকে অনেক বড় বালছেঁড়া শিক্ষিত মনে করলেও বিশ্বের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী দেশের এসব পাঞ্জেরী গাইড মুখস্ত করে "সুশীল" হওয়া লোকেদেরকে "শিক্ষিত" বলাও উচিত নয়। এরা জীবনে পাঞ্জেরী গাইড এবং অন্যান্য পাঠ্যবই বাদে কোনও বই-ই পড়েনি। এদেরকে মাঝেমধ্যে হুমায়ুন, জাফর ইকবালের মতো বি-গ্রেড লেখকদের লেখা বিভিন্ন বালের উপন্যাস পড়তে দেখা যায়, তবে আমি ওগুলোকে বই বলতে চাইনা।
বাংলাদেশের পুরুষত্বহীন সংস্কৃতিও দেশের জন্য একটি গলার কাটা। দেশের সমস্ত সমস্যার কেন্দ্রস্থল হলো দেশের মানুষের পুরুষত্বহীনতা। এরা উঁচু গলায় কথা বলতে পারেনা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সাহস পায়না। আর এজন্যই দেশে "দুর্নীতি" নামক চুরি চামারি করা লোকেরা লাথি ঝাঁটা খাওয়ার পরিবর্তে সম্মান পায়। এসব দুর্নীতিবাজদের পাশে থাকে শতশত "সুশীল" সমাজের হাফলেডিস এবং চাটুকার দালাল। দেশের এই নৈতিকতার দুর্ভিক্ষের জন্য দেশের পুরুষত্বহীনতা পুরোপুরিভাবে দায়ী। অস্বাভাবিক স্থূলাকার দেহের গড়নের সেনাপ্রধান ওয়াকারকে চোদু জনতা জুতার বাড়ি দিয়ে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দিতে পারে। কিন্তু ওরা সেটা করছেনা তাদের সাবমিসিভ বৈশিষ্টের কারণে। যার জন্য দেশের মানুষের পুরুষত্বহীনতা দায়ী। বলা বাহুল্য যে, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়াতেই প্রথম হিজড়া সম্প্রদায় আবির্ভুত হয়েছিল দেশের মানুষের এই পুরুষত্বহীনতার জন্য।
এজন্যই আমি মনে করি দেশের জনগণের উচিত জামাতকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনা। মুসলমানদের পাশাপাশি ফেসবুক লাইভের নাস্তিক কিংবা গোবরজল খাওয়া মালাউনদেরও দাড়িপাল্লায় ভোট দেওয়া উচিত। জামাত যদি খাম্বা তারেকের দল বিএনপির চেয়ে ভালো সার্ভিস দেয়, যদি তোদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে দেয়, তাহলে তোদের সমস্যা কি? ব্যক্তিগতভাবে আমি ইসলাম ছেড়ে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেছি, তবুও আমি দাড়িপাল্লায় সিল মেরে আসবো।