<![CDATA[দৈনিক বঙ্গবল্টু]]>https://bongoboltu.com/https://bongoboltu.com/favicon.pngদৈনিক বঙ্গবল্টুhttps://bongoboltu.com/Ghost 5.49Sun, 14 Jun 2026 14:16:33 GMT60<![CDATA[১৮ কোটি হিজড়ার ভোটে খাম্বা তারেক এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী !]]>আসলে এই বালের দেশের মঙ্গলের জন্য আর লেখালেখি করে কোনও লাভ নেই

]]>
https://bongoboltu.com/aatthaaro-kotti-hijrraar-bhotte-khaambaa-taarek-ekhn-baanlaadesher-prdhaanmntrii/6999a53d68de7a0001ed04abSat, 21 Feb 2026 13:31:48 GMT

আসলে এই বালের দেশের মঙ্গলের জন্য আর লেখালেখি করে কোনও লাভ নেই। বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার এসব সাবমিসিভ চাটুকার স্বভাবের লোকেরা আসলে বিডিএসএম এ আসক্ত, এদের মার খেতে ভালো লাগে। দু দশক আগে যে দল তোদেরকে সারাদিন লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে ছ্যাকা দিয়েছে, দেশের মাল চুষে ওদিকে পাচার করেছে, তোরা এখন সেসব স্ক্যামারদের সামনে নুইয়ে পরে সম্মান প্রদর্শন করছিস। সাংবাদিকদের তেল মারা প্রশ্নের কালচার আবার ফিরে এসেছে। এই ভোদার দেশের কোনও সমস্যার সমাধান করার কোনও চেষ্টা আমি করবো না। জুলাই আন্দোলনে দৈনিক বঙ্গবল্টু বিশাল ভূমিকা রেখেছিলো। আমিই এই ওয়েবসাইটে প্রথম আওয়ামী বেশ্যা শেখ হাসিনার করা সেই গণহত্যার প্রথম আর্কাইভ বানিয়েছিলাম। লাখ লাখ মানুষ সেসময় এই ওয়েবসাইটে তাদের স্লো ইন্টারনেট দিয়ে ভিজিট করেছিল। এক যুবা বয়েসী পাঠক শেখ হাসিনার বাড়ি থেকে একটি টব চুরি করে এনে আমাকে ইমেইলে ছবি দেখিয়েছিল। কিন্তু বাল আমিতো এসব লেখালেখি খাম্বা তারেকের মতো স্ক্যামারকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য করিনি। অনেকেই বলবে যে বিএনপি ভোট চুরি করেছে তাই জামাত হেরেছে। তো জামাতের কাছে আমার প্রশ্ন যে, তোরাও ভোট চুরি করলিনা কেন? সে আমলের রগকাটা জামাত কি এখন হিজড়া হয়ে গেছে?

সেজন্য বাল আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, এই বালের দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য সবরকমের কাজ থেকে বিরত থাকবো। এই ১৮ কোটি হিজড়ার জীবনযাত্রার মান ভালো হলো কিংবা মন্দ হলো সেটা বাল আমার দেখার বিষয় নয়। আমি এ সম্প্রদায়ের লোক নই।

]]>
<![CDATA[চোর-ছ্যাঁচোড় মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দাড়িপাল্লায় ভোট দাও!]]>আওয়ামী বেশ্যা শেখ হাসিনার দেশ পলায়নের কয়েকদিন পর থেকেই খালে

]]>
https://bongoboltu.com/cor-chyaancorr-mukt-baanlaadesh-grrte-daarripaallaayy-bhott-daao/69833bc44f762400013a8270Wed, 04 Feb 2026 14:06:59 GMT

আওয়ামী বেশ্যা শেখ হাসিনার দেশ পলায়নের কয়েকদিন পর থেকেই খালেদার পশ্চাদ্দেশের নিচে লুকিয়ে থাকা বিএনপির নেতাহাতারা বেরিয়ে এসে চান্দা ধান্দার কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। রেভুল্যুশন শেষ হওয়ারও প্রায় দেড় বছর পর ষাট বছর বয়েসী "তারুণ্যের অহংকার" খাম্বা তারেক লন্ডন থেকে গৃহে ফিরেছে। প্রায় দু দশক আগে তার মা ক্ষমতায় থাকার সময় কি পরিমান দেশের পয়সা মেরে খেয়ে ওদিকে পাচার করেছে সেটা তারেকের জীবনযাত্রার মান দেখেই আঁচ করা যায় । রাজনীতি এদের জন্য একটি পারিবারিক ব্যবসা। তবুও হারমোনিয়াম বাজিয়ে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়া দেশের সুশীল সমাজ নামক চোদনার জাতগুলো আওয়ামীলীগের অভাবে ভোট খাম্বা তারেককেই দেবে। এসব তথাকথিত "সুশীল" পরিবারের অর্থ উপার্জনের একমাত্র উৎস হলো সরকারি অফিসের টেবিলের তলা। এসব সুশীলদের চুরি চামারীর জন্যই দেশের অসহায় রোগীরা শুয়ে থাকে হাসপাতালের বারান্দায়। এসব চশমা-শাড়ি পড়া সুশীল মাগীদের চটর-বটর কথা শুনে দেশের হাবাগোবা জনতা সুশীলদেরকে অনেক বড় বালছেঁড়া শিক্ষিত মনে করলেও বিশ্বের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী দেশের এসব পাঞ্জেরী গাইড মুখস্ত করে "সুশীল" হওয়া লোকেদেরকে "শিক্ষিত" বলাও উচিত নয়। এরা জীবনে পাঞ্জেরী গাইড এবং অন্যান্য পাঠ্যবই বাদে কোনও বই-ই পড়েনি। এদেরকে মাঝেমধ্যে হুমায়ুন, জাফর ইকবালের মতো বি-গ্রেড লেখকদের লেখা বিভিন্ন বালের উপন্যাস পড়তে দেখা যায়, তবে আমি ওগুলোকে বই বলতে চাইনা।

বাংলাদেশের পুরুষত্বহীন সংস্কৃতিও দেশের জন্য একটি গলার কাটা। দেশের সমস্ত সমস্যার কেন্দ্রস্থল হলো দেশের মানুষের পুরুষত্বহীনতা। এরা উঁচু গলায় কথা বলতে পারেনা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সাহস পায়না। আর এজন্যই দেশে "দুর্নীতি" নামক চুরি চামারি করা লোকেরা লাথি ঝাঁটা খাওয়ার পরিবর্তে সম্মান পায়। এসব দুর্নীতিবাজদের পাশে থাকে শতশত "সুশীল" সমাজের হাফলেডিস এবং চাটুকার দালাল। দেশের এই নৈতিকতার দুর্ভিক্ষের জন্য দেশের পুরুষত্বহীনতা পুরোপুরিভাবে দায়ী। অস্বাভাবিক স্থূলাকার দেহের গড়নের সেনাপ্রধান ওয়াকারকে চোদু জনতা জুতার বাড়ি দিয়ে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দিতে পারে। কিন্তু ওরা সেটা করছেনা তাদের সাবমিসিভ বৈশিষ্টের কারণে। যার জন্য দেশের মানুষের পুরুষত্বহীনতা দায়ী।  বলা বাহুল্য যে, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়াতেই প্রথম হিজড়া সম্প্রদায় আবির্ভুত হয়েছিল দেশের মানুষের এই পুরুষত্বহীনতার জন্য।

এজন্যই আমি মনে করি দেশের জনগণের উচিত জামাতকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনা। মুসলমানদের পাশাপাশি ফেসবুক লাইভের নাস্তিক কিংবা গোবরজল খাওয়া মালাউনদেরও দাড়িপাল্লায় ভোট দেওয়া উচিত। জামাত যদি খাম্বা তারেকের দল বিএনপির চেয়ে ভালো সার্ভিস দেয়, যদি তোদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে দেয়, তাহলে তোদের সমস্যা কি? ব্যক্তিগতভাবে আমি ইসলাম ছেড়ে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেছি, তবুও আমি দাড়িপাল্লায় সিল মেরে আসবো।

দৈনিক বঙ্গবল্টুর লেটেস্ট আপডেট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটি ফলো মারুন ।

@Bongoboltu

]]>
<![CDATA[দেশের মান-ইজ্জত রক্ষায় বাংলাদেশে হিন্দু ধর্ম নিষিদ্ধ করা খুবই জরুরি।]]>সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ধরণের ছ্যাচড়ামি দেখা য

]]>
https://bongoboltu.com/ye-kaarnne-baanlaadeshe-hindu-dhrm-nissiddh-kraa-khubi-jruri/6915e476b69623000143d334Thu, 13 Nov 2025 18:14:56 GMT

সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ধরণের ছ্যাচড়ামি দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা এবং ইয়ং জেনারেশনের চোদনারা হিন্দুদের সাথে হাত ধরে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে মিছিল করছে। ওরা হিন্দু-মুসলিম সাদা পাঞ্জাবি পরে একে ওপরের হাত ধরে নির্বিকার চিত্তে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে থেকে ভোদার ভ্রাতৃত্ব প্রকাশ করছে।  বলা বাহুল্য যে, সে আমলের রগকাটা জামাতীরাও এখন বিদেশিদের কাছে নিজেদের বিশুদ্ধ প্রমান করার জন্য ইসলামের নিয়মকে উপেক্ষা করে হিন্দু মালাউনদের সাথে কুশল বিনিময় করছে। আওয়ামী বেশ্যা শেখ হাসিনার পতনের পর যে দেশে মৌলবাদের উত্থানের পরিবর্তে যে এভাবে ছ্যাচড়ামি বৃদ্ধি পাবে সেটা আগে ভাবিনি। ভেবেছিলাম আময়ামীলীগ পতনের পর দেশের রাস্তায় রাস্তায় হুজুরেরা কাঁধে রকেটলঞ্চার নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে। ইসলামিক মৌলবাদ রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য কোনও সঠিক পদ্ধতি না হলেও দক্ষিণ এশীয় দেশে "দুর্নীতি" নামক চুরি-চামারি কিছুটা কমাতে পারতো। দেশে চুরি চামারির ব্যাখ্যা দিতে "দুর্নীতির" মতো রাজকীয় শব্দ ব্যবহার করাও বাল একটি অনৈতিক কাজ। এসব শব্দ তৈরী হয়েছে যেন উঁচু শ্রেণীর চোরেরা অপমানিত না হয়। বাংলাদেশের মতো নোংরা অনৈতিক দেশে ইসলামিক মৌলবাদ যদি এক শতাংশও চুরি-চামারি কমাতে পারতো তাহলে দেশের জনগণের কাছে বাংলাদেশ স্বর্গ মনে হতো। কিন্তু মালাউনদের সাথে সক্ষতার জন্য তথাকথিত মৌলবাদী ইসলামিক দলগুলোও আজ মৌলবাদ পরিহার করছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী না, কিন্তু দেশে নোংরা মালাউনদের হিন্দু ধর্মের পতন ঘটানোর জন্য ইসলামকে টুলস হিসেবে ব্যবহার করতে আগ্রহী। যদিও সে টুলস কাজ করবে কিনা জানিনা, কারণ দক্ষিণ এশীয় মুসলমানরাও আসলে মালাউন, এরা শুধু মাল্লুদের ধর্মের ওপরে ইসলামের প্রলেপ মেরেছে। দক্ষিণ এশীয় মুসলমান সমাজে মদ্ধপ্রাচ্যের মুসলমানদের মতো তেমন নৈতিকতা দেখা যায়না। মালাউনদের মতো দক্ষিণ এশীয় মুসলমানেরাও সরকারি অফিসে টেবিলের তলা দিয়ে ঘুষের পয়সা নিতে লজ্জা পায়না, বরং গর্ববোধ করে।

হিন্দু ধর্মে নৈতিকতার দুর্ভিক্ষ

দেশের মান-ইজ্জত রক্ষায় বাংলাদেশে হিন্দু ধর্ম নিষিদ্ধ করা খুবই জরুরি।

ইসলাম, খ্রীষ্টান, বৈদ্ধ এবং অন্যান্য যেকোনো মেইনস্ট্রিম ধর্ম সর্বদা নৈতিকতাকে ধর্মের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেসব জিনিস পূজা করে তাতে কোনও নৈতিকতা দেখা যায়না। উপরের ছবিতে দেখুন তাদের দেবতার কি কুৎসিত এবং ভয়ানক চেহারা। আর গলায় ঝুলিয়ে রেখেছে মানুষের মুন্ডু। ইসলাম ধর্মে ক্রিমিনালদের শিরোচ্ছেদ করার প্রথা কিছু দেশে আছে কিন্তু মুসলমানরা এই প্রথাকে এভাবে ধর্মের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেনা। বলা বাহুল্য যে, মুসলমানরা তাদের অনেক খারাপ প্রথা থেকে সফলভাবে সরে এসেছে এবং খ্রীষ্টান সভ্য সমাজের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পেরেছে যেটা মালাউনরা পারেনি। মালাউনদের সাথে তাদের সৃষ্টিকর্তার রিলেশনশিপ সম্পূর্ণ ট্রান্সাকশনাল। ওরা তাদের দেবতার মূর্তির সামনে মিঠাই, মন্ডা রেখে জীবনের বাসনা পূরণের জন্য প্রার্থনা করে। এটা মূলত ভগবানকে ঘুষ দেওয়া। আর এই ঘুষের কালচার সরকারি অফিসেও আমদানি হয়েছে। দেশের এই ঘুষ সমস্যার জন্য আসলে ঘুষ গ্রহণকারীর চেয়ে ঘুষ দাতারাই বেশি দায়ী। দক্ষিণ এশীয় পুরুষদের এমন পুরুষত্ব নেই যে গ্রাহকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ঘুষ নেবে। ঘুষ দাতারাই ঘুষকে দেশে স্ট্যান্ডার্ড বানিয়েছে।

মালাউনদের ধর্মে সতীদাহ প্রথা এবং জাত-পাতের বিভাজনের মতো নিকৃষ্ট জিনিস সম্পর্কে সবাই জানে। কিন্তু হিন্দুদের শিশু বলি দেওয়া নিয়ে কাওকে কথা বলতে দেখা যায়না। গুগলে 'চাইল্ড স্যাক্রিফাইস' ইংলিশে লিখে সার্চ মারলেই এ বিষয়ে ভারতের নতুন নতুন খবর দেখা যায়, এসব জিনিস ওদের দেশে আজও দৈনন্দিক ঘটনার মতো। এরা তাদের বস্তুতান্ত্রিক চাহিদাপূরণের জন্য নিজের সন্তানকে হত্যা করে সেটা ভগবানকে ঘুষ দিতেও দ্বিধাবোধ করেনা। বলা বাহুল্য যে ভারতের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা অনেক সময় তাদের আপনজনকে সম্পদের ভাগ বসানো থেকে আটকাতে কিংবা অন্যান্য সাংরারিক সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে নিজের আপন মানুষকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করে তাদের লাশের মাংস কেটে কেটে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয় হত্যার প্রমান লোপাটের জন্য। পৃথিবীর অন্য কোনও সমাজে এধরণের ক্রাইম দেখা যায়না, কিন্তু সেটা দেখা যায় এই দক্ষিণ এশীয় সমাজে। নিজের আপন মানুষের সাথে ত্রিশ বছর থেকে এরা তাকেই হত্যা করে লাশ কুচি কুচি করে কেটে ঢেকে রাখতে পারে। পৃথিবীর অন্য সমাজেও হত্যা হওয়ার খবর দেখা যায়, কিন্তু কেউ লাশ এভাবে কুচি কুচি করে কাটে না।

সম্প্রতি এক ভারতীয় মহিলা ইয়েমেনের এক পুরুষকে হত্যা করে তার মাংস কেটে পানির ট্যাংকিতে লুকিয়ে রেখেছিলো। ক্রাইমের প্যাটার্ন দেখেই বোঝা যায় এটা কোনও মালাউনের কাজ। সেই মহিলার ফাঁসি আটকাতে ভিকটিমের ভাইকে ভারতের এক সংস্থা এক মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে চাইলেও ভাই সেটি নেয়নি।  বরং বলেছে যে, নিজের ভাইয়ের লাশ নিয়ে আমি ব্যবসা করতে পারবো না। তার মোরাল-কোন্সসিয়াসনেস দেখুন! যদি এটা কোনও মালাউন পুরুষ হতো, তাহলে এক মিলিয়ন ডলার তো দূরে থাকে, 'দাছ-লাখ-রুপিজ' দিলেই সে তার ভাইয়ের হত্যাকারীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করে টাকাটা লুফে নিতো।

আমি আগেও বলেছি আবারও বলছি, বাংলার মুসলমানেরাও মালাউন ধর্মের নৈতিকতার এই দুর্ভিক্ষ থেকে মুক্ত নয়। এদেশের মুসলমানেরা শুধু তাদের লোকাল মালাউন সংস্কৃতির উপরে ইসলামের প্রলেপ মেরেছে। কয়েক বছর আগে নুসরাত নামক এক মহিলা হত্যা হয়েছিল কিংবা আত্মহত্যা করেছিল। সেই ঘটনা নিয়ে তার ভায়েরা আজও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। শোনা যায় তারা চান্দা-ধান্দার বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও "ক্রাইম পেট্রল" নামক একটি ভারতীয় অনুষ্ঠানকে দেশের অনেক হাবাগোবা জনতা টিউটোরিয়াল হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করেছে। ভারতের পেয়ার মুহব্বতের সিনেমা দেখে বাংলাদেশের অনেক যুবকেরা প্রেমে ছ্যাঁকা খেয়ে মেয়েদের মুখে এসিডও মেরেছে এককালে।

বলা বাহুল্য যে, বাংলাদেশের এই নোংরা পরিবেশের জন্যেও নোংরা মালাউন সংস্কৃতি দায়ী। কারণ হিন্দু ধর্মে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার দায়িত্ব শুধু নিচু জাতের মানুষের জন্য। এজন্য ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে কেউ নিজের মানসম্মান খোয়াতে চায়না। বাংলাদেশের জনপদ শত বছর আগে মালাউন ধর্ম ছেড়ে ইসলাম গ্রহণ করলেও তাদের এই পুরাতন চোদনা সংস্কৃতি আজও থেকে গেছে।

তাহলে এসবের সমাধান কি ?

এর সমাধান শিরোনামেই লিখে রেখেছি, সেটা হলো এই ধর্ম বাংলাদেশে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।  কিন্তু এটা অবশ্যই কোনও সহজ কাজ নয়। এর জন্য চীনের উইঘুর প্রদেশের মতো কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্প বানানো যেতে পারে। তবে দেশের হাবাগোবা জনতা হয়তো পারবেনা এসব ক্যাম্প পরিচালনা করতে।  এজন্য বিদেশ থেকে লোক আনতে হবে। বলা বাহুল্য যে দেশের সংস্কৃতি ভালোভাবে মেরামতের জন্য দেশের ৯৯ শতাংশ মুসলমানকেও সেই ক্যাম্পে ঢুকিয়ে দেওয়া উচিত। অথবা হিন্দুদেরকে দেশ থেকে খেদিয়েও দেওয়া যেতে পারে। এটা সস্তা কিন্তু ইফেক্টিভ সল্যুশন। কারণ ভারতে হিন্দু শরণার্থীদের জন্য শুনেছি 'এনআরসি' নামক ফ্রি নাগরিকত্বের ব্যবস্থা আছে। কোটি কোটি হিন্দু জনতার ঢল কিভাবে গোবরজল খাওয়া জাতি ভারত হ্যান্ডেল মারতে পারে সেটা দেখার বিষয়।

]]>
<![CDATA[অসভ্য দক্ষিণ এশীয় সমাজ এবং চোদু জনতার সব প্রশ্নের উত্তর।]]>গত মাসে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নামক দেশের তথাকথিত এক শিক্ষ

]]>
https://bongoboltu.com/the-jeet-dystopia/67162eee2f30c60001670274Tue, 22 Oct 2024 14:33:39 GMT

গত মাসে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নামক দেশের তথাকথিত এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টোকাই তোফাজ্জল হত্যা হওয়ার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলাম।  সেখানে আমরা তুলে ধরেছি যে কিভাবে চোদু জনতা টোকাই তোফাজ্জলের চেয়ে হারমোনিয়াম বাজানো সুশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করা আবরার ফাহাদের প্রতি বেশি সহানুভূতি দেখাচ্ছে। সেখানে আমরা আলোচনা করেছি কিভাবে এই বুয়েটে পড়া ছাত্ররা পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে ঢুকে চুরি চামারি করে অর্থ উপার্জন করে, সে হিসেবে আবরার ফাহাদের তুলনায় টোকাই তোফাজ্জলের মতো পলিথিন কুড়িয়ে অর্থ উপার্জন করা লোকদেরই সমাজে কনট্রিবিউশন বেশি। আমরা তুলে ধরেছি কিভাবে দেশের মেয়েদের বাপেরা বুয়েটে পড়া ছেলেদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য লাইন ধরে থাকে। যেন ছেলে সরকারি চাকরি পাওয়ার পর চুরি চামারি করে মেয়েকে খাওয়াতে পারে। একপর্যায়ে আমরা এও তুলে ধরেছি যে কিভাবে দক্ষিণ এশীয় নোংরা সংস্কৃতির এই অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ প্রথা এক প্রকারের পতিতাবৃত্তি এবং ইহা সম্পূর্ণরূপে প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের প্রতিবেদন ভাইরাল হলেও অনেক চোদু জনতা প্রতিবেদনের লেখককেই ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছে। প্রতিবেদনের লেখক নাকি ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে এসব লিখেছে। বুয়েটের অনেক ছাত্রও কমেন্ট সেকশনে গালাগালি করেছে। তর্কে না পেরে এই অসভ্য সমাজ যে প্রতিপক্ষকেই ব্যক্তিগত আক্রমণ করবে সেটা আগেই জানা ছিল। তবে এই প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশীয় সমাজের নোংরা সংস্কৃতি নিয়ে আরও গভীরভাবে আলোচনা করে আমরা তাদের সমস্ত প্রশ্নের জবাব দেবো।

যে কারণে শুধু এই দেশেই প্রথম হিজড়া সম্প্রদায় বা 'তৃতীয় লিঙ্গ' আবির্ভুত হয়েছিল

বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশীয় সমাজে ছেলে মেয়েদেরকে ছোট থেকেই আলাদা রাখা হয়। ছেলেরা মেয়েদের সাথে কৈশোর এবং যৌবনকালের বেশিরভাগ সময়ই মেলামেশা করার সুযোগ পায়না কারণ সমাজ তাদের মধ্যে ব্যাপক দূরত্ব তৈরী করে দিয়েছে। ফলে এসব ছেলেরা বড় হয়ে একপ্রকারের আধা পুরুষে পরিণত হয়, এবং মেয়েদের দেখলে তাদের লজ্জা লাগে। কারণ তার কাছে মেয়েরা এখন মানুষ নয়, বরং সেক্স অবজেক্ট বা চোদাচুদি করার জিনিস। যখন কোনও দক্ষিণ এশীয় ছেলে কোনও মেয়েকে দেখে লজ্জা পায়, তখন সে কল্পনা করে সে কিভাবে সেই মেয়েকে চুদছে। এসব তাদের চিন্তায় আসে বলেই তারা লজ্জা পায়। মানুষ মানুষকে দেখে বিনা কারণে লজ্জা পেতে পারেনা! এই লজ্জার জন্য দক্ষিণ এশীয় সমাজে দুই লিঙ্গের মানুষের মধ্যে দূরত্ব আরও বৃদ্ধি পায়। এই সমাজে বড় হওয়া লোকেরা ছোটদেরকেও এই দূরত্ব বজায় রাখতে উৎসাহিত কিংবা বাধ্য করে। এই দূরত্বের কারণেই এদেশে ৪০০০ বছর আগে হিজড়া সম্প্রদায় আবির্ভুত হয়েছিল। দেশের অনেক যুবা বয়েসী পুরুষরা মেয়েদের সাথে মেলামেশা এবং যৌনমিলনের সুযোগের অভাবের কারণে এরা তাদের নিজ দেহকেই নারী দেহ কল্পনা করতে শুরু করে এবং হিজড়ায় পরিণত হয়। এধরণের বৈশিষ্ট আমেরিকার পুরুষ কারাগারেও নারীর অভাবের কারণে দেখা যায়। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে 'autogynephilia' । আজ ভারতীয় উপমহাদেশে হিজড়াদের সংখ্যা নরওয়ের মতো পশ্চিমা সভ্য সমাজের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি! আজ পশ্চিমা সভ্য সমাজে জনসংখ্যা কমছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ, ভারতের মতো লুচ্চোদের দেশে বেড়েই চলেছে হিজড়াদের সংখ্যা!

বলা বাহুল্য যে, এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে দেশে নতুন ধরণের হিজড়ার প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। ২০১২ সালে ফেসবুকে দেখেছিলাম প্রচুর বাংলাদেশী 'নারীর' ফেক একাউন্ট আমাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাচ্ছে। প্রত্যেকের ফ্রেন্ডলিস্টে হাজার হাজার বন্ধু।  প্রথমে এদেরকে আসল একাউন্টই ভেবেছিলাম, কিন্তু একদিন রাস্তায় হাঁটার সময় দেখলাম কিছু স্কুলের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে 'প্রাইভেট' পড়তে যাওয়া কিশোর গল্প করতে করতে বলছে তাদের অনেক নারীর ছবি দিয়ে বানানো ফেক একাউন্ট আছে। তাদের মুখে কোনও লজ্জাশরমেরও ছাপ নেই। এসব অনলাইন হিজড়াগিরি করতে এদের শরমও লাগেনা, কারণ যেহেতু তাদের সংস্কৃতিতে মেয়েলোকের সাথে কথা বলা সম্ভব নয়, তাই তারা নিজেরাই মেয়েলোক হয়ে যাচ্ছে। এদের কথা শুনেই আমি ঘেন্না করে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলাম। দেশের রাস্তায় বের হলে হিজড়ারা গলা জড়িয়ে ধরে বলে টাকা দাও, আবার এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সেই একই অবস্থা।

অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ এবং পতিতাবৃত্তি

এককোষী প্রাণী থেকে শুরু করে বহুকোষী তিমি মাছ এবং যেকোনোও সভ্য সমাজের মানুষ চোদাচুদির জন্য বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে নিজেরাই বেছে নেয়।  তাদের বাপ, মা, পরিবার কিংবা ঘটক বাছাই করে দেয়না। কারণ এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম। কিন্তু দক্ষিণ এশীয় সমাজে মহিলা-পুরুষদের মধ্যে ব্যাপক দূরত্ব থাকার কারণে এদেশের যুবকেরা মেয়েদের সাথে কথা বলতে গেলেই ঘাবড়ে যায়। এদেশের লুচ্চো সমাজ এদের পুরুষত্ব কেড়ে নিয়েছে। মহিলাদের সাথে কথা বলার মতো ব্যাসিক কাজের ক্ষমতা এদের নেই। তাদের সাথে বন্ধুত্ব কিংবা রোমান্টিক রিলেশনশিপ এবং চোদাচুদি তো দূরের কথা। কিছু পুরুষ প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী এসব করলেও সমাজ তাদেরকে করেছে প্রত্যাখ্যান। ছোটলোকের ছেলে বড়োলোকের মেয়েকে চোদার কাহিনী নিয়ে তৈরী হয়েছে শত শত বলিউডের পেয়ার মুহব্বতের সিনেমা। এসব সিনেমা দেখে প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে আমাদের দেশের অনেক যুবক মেয়েদের মুখে এসিডও মেরেছে এককালে। এছাড়াও আজকাল দেশের অনেক অবিবাহিত দম্পতি সমাজের দ্বারা প্রত্যাখ্যান হওয়ার ভয়ে তাদের নবজাতক শিশুকে ফেলে দেয় ডাস্টবিনের ময়লা আবর্জনার মধ্যে। কোনও পশুপাখিও এধরনের কাজ তাদের সন্তানের সাথে করতে পারেনা। এসব শুধু দেখা যায় দক্ষিণ এশীয় এই লুচ্চো মানবজাতির সমাজে। দক্ষিণ এশীয় লুচ্চো সংস্কৃতি এবং এরেঞ্জ ম্যারেজ নামক বাধ্যতামূলক পতিতাবৃত্তির প্রভাব কতটা লোমহর্ষক এবং ভয়াবহ, এটাই তার প্রমান।

তবে এদেশের অধিকাংশ পুরুষেরা বিবাহের জন্য তাদের পিতামাতার উপর নির্ভরশীল। ছেলে যদি বুয়েট ছাত্র, ডক্টর, কিংবা পঁয়সাওয়ালা লোক হয়ে থাকে, তাহলে তাদের মিলবে ভালো সুরতের পাত্রী। অন্যদিকে ছেলের ক্যারিয়ার কিংবা পয়সা যদি না থাকে, তাহলে তার মিলবে বেঢপ সুরতের পাত্রী। এই বস্তুতান্ত্রিক চাহিদাকে প্রাধান্য দেওয়া সিস্টেম এবং পতিতাবৃত্তির মধ্যে যে আদৌ কোনও পার্থক্য নেই সেটা চোদু জনতা তাদের ছাগলের মস্তিষ্ক দিয়ে না বুঝতে পারলেও সভ্য সমাজের যেকোনো শিশুও ইহা বুঝতে পারে। অর্থাৎ পতিতাবৃত্তির সংজ্ঞা অনুযায়ী এদেশের নব্বই শতাংশ নারীই প্রস্টিটিউট। পতিতারা যেভাবে পয়সার বিনিময়ে অচেনা লোকের সাথে চোদাচুদি করে, এখানেও সেটাই ঘটছে।

পশ্চিমা সংস্কৃতির বিষয়ে চোদু জনতার ধারণা

পশ্চিমা সংস্কৃতি বাংলাদেশ-ভারতের তথাকথিত ধর্মীয় গোষ্ঠী খারাপ নজরে দেখে এবং কিছু লুচ্চো যুব সমাজ ইহা সমর্থন করে। ধর্মীয় গোষ্ঠী এবং যুব সমাজ, উভয়েরই ধারণা পশ্চিমা সংস্কৃতি মানেই লুচ্চামি, ছোট পোশাক ইত্যাদি। তাদের ধারণামতে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে এসবের বাহিরে কিছুই নেই। দেশের যেসব যুব সমাজ লুচ্চোমি সমর্থন করে তারা পশ্চিমা সংস্কৃতিও সমর্থন করে, অন্যদিকে ধর্মীয় গোষ্ঠী এটাকে এড়িয়ে চলে। তবে আমার মতে এই দুই গ্রূপের লোকেরাই লুচ্চো। কারণ লুচ্চোমি বাদে পশ্চিমা সংস্কৃতির কোনও ভালো দিক এদের নজরে আসেনা। পশ্চিমা সংস্কৃতিতে কিছু বেধর্মী জিনিস যুক্ত হয়েছে গত দুই দশকে, তবে সেখানকার বেশিরভাগ লোকই ট্রেডিশনাল সংস্কৃতি মেনে চলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের মানসিকতায় আমি কখনও লুচ্চোমি দেখিনা। কিন্তু বাংলার চোদু জনতা পশ্চিমা সভ্য সমাজের দেশগুলোকে মনে করে লুচ্চোমির স্বর্গরাজ্য। বলা বাহুল্য যে ওরা নিজেরাই লুচ্চোমির স্বর্গরাজ্যে বাস করছে। আমি চোদু জনতার দেশের অনেক রেস্টুরেন্টে গিয়েছি, দেখেছি যে রেস্টুরেন্টের একপাশে অনেকগুলো মুরগির খোপের মতো অংশ, এবং পর্দা টাঙিয়ে দেওয়া। এক যুবা বয়েসী ব্যক্তি আমাকে বললো, ওগুলোর মধ্যে ছেলে মেয়েরা চুম্মাচাটি করে থাকে। এদের ধারণা অনুযায়ী এগুলোই হলো পশ্চিমা সংস্কৃতি, যদিও চুম্মাচাটি করার জন্য পশ্চিমা সভ্য সমাজের রেস্টুরেন্টে এধরণের পর্দা দিয়ে ঢাকা মুরগির খোপের মতো স্থান কোথাও দেখিনি।

পশ্চিমা সভ্য সমাজে LGBTQIA+P আসারও ৪০০০ বছর আগে এদেশে হিজড়া সম্প্রদায় আবির্ভুত হয়েছিল। আজ বাংলাদেশের সমাজে নারী এবং শিশু ধর্ষণ দৈনন্দিক ঘটনা। মাদ্রাসায় প্রতিদিন রাসূলের আদর্শ মেনে চলা শিক্ষকেরা শিশুদেরকে ধর্ষণ করে। মিডিয়া সেটাকে কম গুরুত্ব দেওয়ার জন্য এই ধর্ষণকে 'বলাৎকার' বলে থাকে যেন চোদু জনতা বুঝতে না পারে কি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের গোবরখেকো যুবকেরা নারীর অভাবে বিভিন্ন পশুপাখিকেই ধর্ষণ করা শুরু করে দিয়েছে। ভারতের চিড়িয়াখানায় কোমোডো ড্রাগনের মতো প্রাণী ধর্ষণ হওয়ার ঘটনাও ভারতীয় সংবাদপত্রে আজকাল দেখা যায়।

উপসংহার

এ পৃথিবীর সমস্ত সাগরের পানির সমপরিমাণ কলমের কালি দিয়েও এই দক্ষিণ এশীয় সংস্কৃতির খারাপ দিকগুলো লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। আবার পৃথিবীর সমস্ত বাঁশ ঝাড় থেকে বাঁশ কেটে চোদু জনতার পাছায় আঘাত করেও এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। এ সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে সহজ উপায় হল দক্ষিণ এশিয়ায় কয়েক হাজার পারমাণবিক বোমা মেরে চোদু জনতাকে বিলুপ্ত করে দেওয়া। খাদ্য এবং চোদাচুদির বাইরে যে জাতির জীবনে আর কোনও উদ্দেশ্য নেই, সে জাতিকে জীবিত রাখা মানবসভ্যতার জন্য নিরাপদ নয় !

]]>
<![CDATA[পাঞ্জেরী গাইড মুখস্ত করে 'শিক্ষিত' হওয়া যুবকেরা কুপিয়ে হত্যা করলো খাবারের বিল না দেওয়া এই মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে; আর এ বিষয়ে আমাদের কিছু মতামত।]]>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যাকে চোদু জনতা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে

]]>
https://bongoboltu.com/panjeree-guide-memorizing-students-kills-mentally-unstable-person-for-fun/66edd1a62f30c600016701ddTue, 24 Sep 2024 23:22:58 GMT

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যাকে চোদু জনতা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে থাকে। শুধু রাজনীতি, সমাবেশ, চাঁদাবাজিসহ নানারকম বালছালের আখড়া হিসেবে পরিচিত এই "বিশ্ববিদ্যালয়টি"। সেখানে ঢুকলেই শুধু দেখা যায় বিভিন্ন নেতা-হাতাদের মাথার ছবিওয়ালা সাইনবোর্ড এবং পোস্টার। নামমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার জন্য ভর্তি-পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে লাইন ধরে থাকে দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারের যুবা বয়েসীরা। কারণ তাদেরকেও এই প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে হবে দু-নম্বরি উপায়ে অর্থ উপার্জনের জন্য। এদের অনেকেই দেশের ছাত্র রাজনীতির চান্দা-ধান্দা বাণিজ্যের মধ্যে ঢুকে অর্থ উপার্জন করবে, তবে অধিকাংশ চোদনাদের উদ্দেশ্য থাকে গ্রাজুয়েশনের পর সরকারি চাকরি পেয়ে টেবিলের তলা দিয়ে অর্থ উপার্জনের। কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন করা লোকেদের ঘুষ ছাড়া সরকারি চাকরি পাওয়ার সম্ভবনা কিছুটা বেশি থাকে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যেকেই চোর হওয়ার জন্য ঢোকে। সুতরাং এসব তথাকথিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কাছে নীতিনৈতিকতার আশা শুধুমাত্র দেশের হাবাগোবারাই করতে পারে। কয়েকদিন আগে তোফাজ্জল নামক মানসিক ভারসাম্যহীন নিরীহ ব্যক্তিকে পাঞ্জেরী গাইড মুখস্ত করে শিক্ষিত হওয়া যুবকেরা যে কুপিয়ে হত্যা করেছে, সেটি দেশের এসব ভুয়া শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিক ঘটনা। যখন আওয়ামী বেশ্যা ক্ষমতায় ছিল তখন মিডিয়া এসব খবর প্রকাশ করে সাহস পেত না। কিন্তু আওয়ামী বেশ্যা দেশকে চুদে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর এখন সাহস দেখাচ্ছে।

বুয়েটের আবরার ফাহাদ এবং টোকাই তোফাজ্জল হত্যার মধ্যে পার্থক্য

আমাদের দেশের আবার হারমোনিয়াম বাজিয়ে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া মদ্ধবিত্ত সমাজ নামক ফকিন্নিদের টোকাই তোফাজ্জলের সাথে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের তুলনা করলে সেটা তাদের হজম হবেনা। তাদের বাচ্য অনুযায়ী টোকাই তোফাজ্জল আবরার ফাহাদের পায়ের নখের তুল্য নয়। আবরার ফাহাদ বুয়েটে পড়া শেষ করে সরকারি চাকরি পেয়ে টেবিলের তলা দিয়ে অর্থ কমাতে চলেছিল, কারণ বাংলাদেশের এসব তথাকথিত ইঞ্জিনিয়াররা কোথাও নোকরি পায় না। নাসার মতো প্রতিষ্ঠানের দারোয়ানের চাকরি করার যোগ্যতাও এদের নেই। মূলত সরকারি চাকরি পেয়ে টেবিলের তলা দিয়ে পয়সা ইনকামের উদ্দেশ্যেই এরা ওই প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যায়। তবে বাংলাদেশের চোদনারা এসব চোরদেরকেই বেশি ভক্তি দিয়ে থাকে। তোফাজ্জলের মতো অসহায় মানুষ না খেতে পেয়ে মাথা ঘুরে রাস্তায় পড়ে গিয়ে গাড়ির চাকার তলায় পিষে মরুক তাতে আমার যায় আসে না, কিন্তু আমার মেয়েকে একটি বুয়েট ছাত্রের সাথে বিয়ে দিতেই হবে যেন সে সরকারি চাকরিতে ঢুকে দেশের মাল চুরি করে সে পয়সা দিয়ে আমার মেয়েকে খাওয়াতে পারে। বুয়েটের ছাত্রদের সাথে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ানোর জন্য লাইন ধরে থাকে পাত্রীর বাপেরা। নিজের মেয়ে কাকে চুদবে সেটাও ঠিক করে দেয় মেয়ের বাপ-মায়েরা। প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী মানুষসহ পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী তাদের বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে নিজে বেছে নেয় যৌন সম্পর্কের জন্য। পশ্চিমা সভ্য সমাজের লোকেরাও নিজেরা কাকে চুদবে সেটা তারা নিজেরাই বাছাই করে নেয়, তাদের বাপ বাছাই করে দেয় না। কিন্তু শুধু বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতেই যুবা বয়েসী ছেলেমেয়েদের বাপেরা বাছাই করে দেয় যে তারা কাকে চুদবে। এটা একপ্রকারের পতিতাবৃত্তি। পতিতারা যেভাবে পয়সার জন্য নিজের অনিচ্ছা স্বত্বেও চোদাচুদি করে, বাংলাদেশের এরেঞ্জ ম্যারেজ প্রথাও এই একই জিনিস। কারণ ইহা প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে। বলা বাহুল্য যে পতিতাবৃত্তির সংজ্ঞা অনুযায়ী বাংলাদেশের নব্বই শতাংশ মহিলাই প্রস্টিটিউট! এজন্যই বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোকে আমি বলে থাকি দ্যা ল্যান্ড অব লুচ্চো! যেখানকার লোকেরা খাদ্য এবং চোদাচুদির বাইরে কিছুই বোঝে না। আর এর জন্য এরা তাদের নীতিনৈতিকতা পরিহার করে দু-নম্বরি করতেও দ্বিধাবোধ করেনা। টোকাই তোফাজ্জল হলো এই লুচ্চো সমাজের একজন ভিকটিম।

]]>
<![CDATA[দুর্নীতি কমাতে বাংলাদেশের পুলিশের পোশাকে আবারও হাফ প্যান্ট যুক্ত করা হোউক !]]>বাংলাদেশ এবং ভারতীয় উপমহাদেশের সংস্কৃতিতে পুরুষত্বহীনতা

]]>
https://bongoboltu.com/why-half-pants-should-be-added-to-the-bangladeshi-police-uniform/66c44abbd972540001fe6387Fri, 23 Aug 2024 19:17:13 GMT

বাংলাদেশ এবং ভারতীয় উপমহাদেশের সংস্কৃতিতে পুরুষত্বহীনতা, চাটুকারিতাসহ নানা সমস্যা আছে যার জন্য এই দেশগুলো আজও পিছিয়ে। এই ভারতীয় উপমহাদেশে প্রাকৃতিক সম্পদ, উর্বর জমি, বসবাসের জন্য ভৌগোলিকভাবে সবচেয়ে উত্তম জায়গাসহ সবই আছে। কিন্তু তারপরেও এই দেশগুলো অনেক আফ্রিকার দেশের চেয়েও পিছিয়ে আছে নোংরা সাউথ এশিয়ান সংস্কৃতির জন্য। এই দক্ষিণ এশীয় চাটুকারী সংস্কৃতি বিলুপ্ত হতে শত শত বছর সময় লেগে যাবে। এই সংস্কৃতি এক প্রকারের মানসিক ব্যাধি। চোদু জনতার পাছায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করেও তাদের মেন্টালিটি পরিবর্তন করে এই সংস্কৃতির বিলুপ্তি ঘটানো সম্ভব নয়। তবে কিছু উপায়ে এই অভিশপ্ত সংস্কৃতির সৃষ্ট সমস্যা কমানোর মাধ্যমে চোদু জনতার জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা সম্ভব। আমরা এই প্রতিবেদনে আলোচনা করবো কিভাবে বাংলাদেশের পুলিশের পোশাকে ব্রিটিশ আমলের মতো আবারও হাফ প্যান্ট যুক্ত করে এই বাহিনীর দুর্নীতি কমিয়ে আনা যায়।

হাফ প্যান্ট পুলিশ বাহিনীর দুর্নীতি কমাবে কিভাবে ?

বাংলাদেশ একটি পুরুষত্বহীন দেশ। এদেশের লোকেরা নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারেনা এবং এদের অন্য লোকের প্রতি নির্ভরশীল থাকার স্বভাব রয়েছে। এসব কারণেই চোদু জনতার দেশে বড় আন্দোলন কিংবা রেভ্যুলুশন হলে দ্রুত আন্দোলনের নতুন নেতা কিংবা স্বমন্বয়কদের উত্থান ঘটতে দেখা যায় যেমনটি কোটা আন্দোলনে দেখা গিয়েছে। ইরানের হিজাববিরোধী আন্দোলনে কিন্তু কোনো নেতাহাতাদের উত্থান ঘটতে দেখা যায়নি। কারণ বাংলার চোদু জনতা কোনো নেতা কিংবা এলফা মেল/মহিলার নিচে সর্বদা ঝুলে থাকতে চায়। আগে শেখ হাসিনার নিচে ঝুলে থেকেছিলো এবার নতুন কারোর নিচে ঝুলে থাকবে। নতুন চুদিরভাইয়ের সাথে হয়তো চোদু জনতা আবারও চাটুকারিতা করবে এবং তাদেরকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সাহস পাবেনা। পুলিশের পোশাকের ডিজাইন এমনভাবে করা হয় যেন পরিধানকারীকে দেখে উঁচু লেভেলের মাল মনে হয়। ফলে লোকেরা যেন তাদের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো সাউথ এশিয়ান চোদু জনতার দেশের লোকেদের স্বভাবে চাটুকারিতা থাকায় এরা পুলিশের দাসত্ব করে থাকে। পুলিশ যা করতে বলে ওরা তা-ই করে। লোকেদের অত্যাধিক এমাউন্টের চাটুকারিতা পেয়ে পেয়ে এরা একপ্রকারের সন্ত্রাসী হয়ে ওঠে। সন্ত্রাসীও যা করে, চোদু জনতার পুলিশও তা-ই করে। কারণ চোদু জনতা হলো এসব পুলিশের দাস। পুলিশের পোশাক দেখলে এদের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়! পুলিশকে নিজের পয়সাকড়িতো বটেই, বরং নিজের মা বোনদেরকে তুলে দিতেও দ্বিধাবোধ করেনা চোদু জনতা । এজন্যই এই দেশে পুলিশকে জনগণের চাকর এবং নিচু লেভেলের লোক প্রমান করতে তাদের পোশাক পরিবর্তন করে হাফ প্যান্ট এবং সাদা জামা যুক্ত করা উচিৎ। যখন এই পোশাক পরিধান করে পুলিশ চটর-বটর করে কথা বলে পয়সা চাইবে, তখনই আমজনতা তাদের কানের নিচে কষে থাপ্পড় মেরে মাটিতে ফেলে দিতে পারবে।

]]>
<![CDATA[যেভাবে ডক্টর ইউনূসের 'চাকরী বিরোধী' মন্তব্যকে ব্যবহার করে দেশে নতুন এমএলএম স্ক্যাম আসতে পারে।]]>ডক্টর ইউনূস সেদিন এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উ

]]>
https://bongoboltu.com/yebhaabe-ddkttr-iunuuser-caakrii-birodhii-mntbyke-bybhaar-kre-deshe-ntun-emelem-skyaam-aaste-paare/66c12628d972540001fe6360Mon, 19 Aug 2024 00:25:16 GMT

ডক্টর ইউনূস সেদিন এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ডায়লগ মেরে বলেন, আমরা চাকরি করতে চাইনা, আমরা চাকরি দিতে চাই। এধরণের ডায়লগ বিভিন্ন পঞ্জী স্কিম এর স্ক্যামাররা চোদু জনতার সামনে মেরে থাকে। আমরা বলছিনা যে ইউনূস স্ক্যামার হয়ে গিয়েছে, তবে চোদু জনতার সামনে তার মেপে কথা বলা উচিত ছিল। কারণ খুব দ্রুতই দেশে ডেসটিনির মতো কোনো এমএলএম স্ক্যাম এসে তার এই ডায়লগ ব্যবহার করতে চলেছে। এর আগে ইউনূসের মাথায় মাল থাকার কারণেই ২০০৮ সালের দিকে সেনাবাহিনী তাকে সরকার প্রধান বানানোর জন্য তার পা ধরলেও তিনি সেটি গ্রহণ করেননি। কারণ উনি জানতেন এই দেশের চোদু জনতাকে সভ্য জাতি বানিয়ে দেশকে শাসন করার চেয়ে আরও একশোটি নোবেল জেতা সহজ। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার মাথার সেই মাল কমে গিয়েছে।

বিভিন্ন দেশেই রেভুলুশন হওয়ার পরই ঠকবাজ এমএলএম কোম্পানির উত্থান ঘটতে দেখা  যায়। রাশিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর সেখানে 'এমএমএম' নামক একটি মাল্টি লেভেল মার্কেটিংয়ের ঠকবাজি কোম্পানির উত্থান ঘটেছিলো। রাশিয়ার চোদু জনতা রাশিয়ার সরকারের চেয়েও সেই দু নম্বর কোম্পানিকে বেশি বিশ্বাস করেছিল এবং কোম্পানির ঠকবাজ মালিককে ভোট দিয়ে তাকে সংসদ সদস্য বানিয়ে দিয়েছিলো। আবার আলবেনিয়াতেও পলিটিকাল রেভুলুশন হওয়ার পর সেখানে এমএলএম কোম্পানির উত্থান ঘটেছিলো এবং তারা দেশটির সব মাল চুষে নিয়ে পালিয়েছিলো। আমার বিশ্বাস এটা বাংলাদেশেও বড় পরিসরে হতে যাচ্ছে এবং এমন সময়ে ডক্টর ইউনূস এধরণের মন্তব্য ব্যক্ত করে আগুনে ঘি ঢেলেছে।

]]>
<![CDATA[এই ব্যক্তি কি আসলেই দরবেশ, নাকি সবকিছুই নাটক?]]>সেনাবাহিনী এবং দেশীয় মিডিয়া আওয়ামীলীগের এসব নেতাহাতা এবং ত

]]>
https://bongoboltu.com/is-this-person-really-salman-f-rahman/66be0567d972540001fe6315Thu, 15 Aug 2024 14:53:16 GMT

সেনাবাহিনী এবং দেশীয় মিডিয়া আওয়ামীলীগের এসব নেতাহাতা এবং তাদের চ্যালা চামুন্ডাদেরকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে অনেক নাটক করছে। অনেক দুইমুখী তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। দুদিন আগে দেখলাম সালমান এফ রহমান ওরফে দরবেশকে দাড়িবিহীন অবস্থায় সদরঘাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছবিটিতে দরবেশের দাড়ি ক্লিন শেভ করা। নৌকায় তাদের মাত্র কয়েকটি ছবি মিডিয়ার সামনে এসেছে। শোনা যাচ্ছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাদের ছবি তুলতেই দিচ্ছে না। পরবর্তীতে কোর্টে নিয়ে যাওয়ার সময় দরবেশের মাথায় হেলমেট থাকার কারণে তার চেহারা ভালোভাবে দেখা যাচ্ছিলো না। তবে তার মুখে প্রায় এক সেন্টিমিটার উচ্চতার দাড়ি ছিল। মাত্র একদিনেই দরবেশের দাড়ি এক সেন্টিমিটার গজিয়ে গেল? দরবেশ মনে হয় তাহলে অন্য গ্রহের লোক। দরবেশকে গ্রেপ্তারের খবর যখন 'দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড' এর খবরের আর্টিকলে দেখলাম তখন সেখানে নৌকায় আনিসুল এবং দাড়িবিহীন দরবেশের হাতবাঁধা ছবি দেখা গেল। কিন্তু পরবর্তীতে যখন সেই একই আর্টিকেলে পুনরায় ঢুকলাম তখন সেই ছবি গায়েব। এর মানে এই দেশের প্রত্যেকটি মিডিয়া টাইটের সাথে কেউ কনট্রোল করছে। এছাড়াও দেশীয় মিডিয়া একবার বলছে আওয়ামী চ্যালা চামুন্ডাদের অনেকে পালিয়ে গিয়েছে বিদেশে আবার বলছে দেশেই লুকিয়ে আছে। একবার বলছে পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি উচ্চতার ডিবি হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আবার বলছে এখনও পালিয়ে আছে।

তাহলে চোদু জনতা সেনাবাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেনা কেন?

আমরা আমাদের পূর্বের অনেক প্রতিবেদনেই বলেছি যে বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশীয় চোদু জনতা তাদের চাটুকারী স্বভাবের জন্য আজও পিছিয়ে আছে। সেনাবাহিনী কিংবা পুলিশের মতো পোশাকধারী বাহিনীকে এরা প্রশ্নবিদ্ধ করা তো দূরের কথা বরং এরা তাদের সাথে ওঠাবসা করার জন্য উদগ্রীব। দক্ষিণ এশীয় চোদু জনতা পোশাকধারী বাহিনীর লোকেদের চ্যালা চামুন্ডা হতে চায়। সেনাবাহিনীর পোশাক পরা লোকেদের দেখলে এদের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়।

আমার নিজস্ব থিওরি

আওয়ামী নেতাহাতাদের সাথে সেনাবাহিনীর অর্থ লেনদেন চলছে। প্রত্যেক মন্ত্রী যদি সেনাবাহিনীকে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য পঞ্চাশ মিলিয়ন ডলার দেয়, তাহলে সেনাপ্রধান ওয়াকারের পকেটে ঢুকে পড়লো পাঁচশো মিলিয়নেরও বেশি। তারপর হারুনের মতো আওয়ামী চ্যালা চামুন্ডারা যদি দেয় বিশ মিলিয়ন, তাহলে ওয়াকারের পকেটে ঢুকে পড়বে আরও পাঁচশো মিলিয়ন। আমার এই থিওরি সত্য হতেও পারে, নাও পারে।  তবে এতো অর্থ বাগিয়ে নেওয়ার এই সুবর্ণ সুযোগ ওয়াকারের জীবনে দ্বিতীয়বার আসবে না। ওয়াকার যদি এই সুযোগে অর্থ বাগিয়ে না থাকে, তাহলে আমি অবাক হব।

]]>
<![CDATA[ছাত্রলীগের মতো এবার আন্দোলনের শিক্ষার্থীরাও শুরু করে দিয়েছে চাঁদাবাজি।]]>বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেদেশে সমর্থন করার মতো একটি রাজনৈতিক দ

]]>
https://bongoboltu.com/chaatrliiger-mto-ebaar-aandolner-shikssaarthiiraao-shuru-kre-diyyeche-caandaabaaji/66bd01f6d972540001fe62c7Thu, 15 Aug 2024 00:51:42 GMT

বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেদেশে সমর্থন করার মতো একটি রাজনৈতিক দল নেই, তবে ঘেন্না করার মতো অনেক রাজনৈতিক দল খুঁজে পাওয়া যায়। চোদু জনতার এই দেশের লোকেরা যে রাজনৈতিক দলকেই কাঁধে তুলেছে, সেই দলই নানারকম দুনম্বরি করে তাদের মালই চুষে খেয়েছে। এবার ছাত্রলীগের মতো বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনও শুরু করে দিয়েছে তাদের চান্দা-ধান্দার কার্যক্রম। এসব পুচকে ছাত্রদের মাতব্বরীতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন এলাকার আমজনতা। এসব অনভিজ্ঞ ছাত্ররা রাস্তায় রাস্তায় শুরু করে দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশের কাজ। ফলে অনেক রিকশাচালক হোঁচট খেয়ে পড়ছে মাটিতে। এমনই একটি দৃশ্য দেখে আমাকে জানিয়েছিল আমার চেনা এক যুবা বয়েসী ব্যক্তি। সেই যুবা বয়েসী ব্যক্তি আমাকে এও জানায় যে ছাত্ররা নাকি চান্দা-ধান্দার কার্যক্রমও শুরু করে দিয়েছে, ছাত্ররা তার কাছ থেকে কিছু টাকাও নিয়েছে। চোদু জনতার মিডিয়া এর দিকে এখনও নজর দিচ্ছে না, তাই আমরাই এ বিষয়টি আমজনতার সামনে তুলে ধরছি।

কিন্তু এই অভিযোগের প্রমান কোথায় ?

নিজের এলাকার চায়ের দোকানদারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করো যে এসব চ্যাংড়া ছেলেরা তার কাছে চাঁদা নিয়েছে কিনা। তোমাদের মতো চোদু জনতার অনেকেই এই বিষয়টি বিশ্বাস করতে চাইবে না কিন্তু দুদিন পর ঠিকই বিশ্বাস করতে হবে। এসব চ্যাংড়া ছাত্ররা আন্দোলন শুরুই করেছিল সরকারি চাকরি পেয়ে টেবিলের তলা দিয়ে টাকা ইনকামের অধিকারের জন্য। ষোলো বছর ধরে বাল সরকার যত চুরি, চামারি, খুন, গুম ইত্যাদি করেছিল সেগুলোর বিরুদ্ধে কিন্তু এরা প্রতিবাদ করেনি। বরং করেছে সরকারি নোকরির জন্য, যেন ওরাও সরকারের দুনম্বরিতে ভাগ বসাতে পারে। এদের উদ্দেশ্য কখনোই ভালো ছিলোনা। এরা হলো বাংলাদেশের ভুয়া শিক্ষা ব্যবস্থার ফসল।

]]>
<![CDATA[কোডেক্স পাজিত ২: বিখ্যাত ভারত বিদ্বেষী ডকুমেন্টারী (ভিডিও)]]>বর্তমান সময়ে ভারতের প্রতি ঘৃণা তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্য

]]>
https://bongoboltu.com/codex-pajeet-2-documentary/66badea2d972540001fe62a5Tue, 13 Aug 2024 04:41:44 GMT

বর্তমান সময়ে ভারতের প্রতি ঘৃণা তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ভারতের নোংরা সংস্কৃতি এবং কুৎসিত চেহারার লোকেদের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোতেও আজ ছড়িয়ে গেছে ভারতের প্রতি তীব্র ঘৃণা। ডিসকভারি, ন্যাটজিওর মতো টিভি চ্যানেলগুলো এককালে যে ভারতের সুন্দর চিত্র তুলে ধরেছিলো, সোশ্যাল মিডিয়া আসার পর সত্য উদ্ঘাটনের মাধ্যমে তার হোগা মেরে দিয়েছে।

ডকুমেন্টারির ভিডিওটি নিচে দেওয়া হলো। আপনার ইন্টারনেট ধীরগতির হলে লোড হতে কয়েক সেকেন্ড সময় লাগতে পারে:

]]>
<![CDATA[পুলিশ বিহীন বাংলাদেশই জনগণের জন্য বেশি নিরাপদ !]]>দুদিন আগে দেখলাম এক পুলিশ কেঁদে কেঁদে টিকটক ভিডিও ইন্টারনেট

]]>
https://bongoboltu.com/why-bangladesh-is-safer-without-police/66b738b5d972540001fe6201Sat, 10 Aug 2024 14:06:09 GMT

দুদিন আগে দেখলাম এক পুলিশ কেঁদে কেঁদে টিকটক ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়েছে। অনেক নিউজ চ্যানেলেও দেখা যাচ্ছে পুলিশদের মায়াকান্না। সবার মুখে একই কথা যে পুলিশের প্রধান "আইজিপি স্যারের" অর্ডারে আমরা বিভিন্ন অকর্ম করেছি, আমরা নিম্নপদের লোক, এগুলো আমাদের দোষ নয় ইত্যাদি ইত্যাদি। এর মানে ওরা বলতে চাচ্ছে, রাস্তাঘাটে গাড়িঘোড়া থামিয়ে নির্লজ্জের মতো চাঁদা নিয়েছে উপরের লেভেলের লোকের আদেশে। ওরা ক্ষুদ্র ঝালমুড়িওয়ালার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে গুম করেছে উপরের লোকের আদেশে। ওরা নিরীহ লোকেদের মিথ্যা মামলা দিয়ে, ভয়ভীতি দেখিয়ে পয়সা খেয়েছে উপরের লোকের আদেশে। এসব অকামের পর সেসব টাকা দিয়ে সাকলায়েনের মতো পুলিশরা পরিমনির মতো বেশ্যার সাথে চোদাচুদি করেছে "আইজিপি স্যারের" আদেশে। এসবের কোনো কিছুই এরা কখনোও করতে চাইনি, এদের নাকি অর্থ, যশ কোনোকিছুর প্রতিই লোভ নেই, কিন্তু করতে হয়েছে "আইজিপি স্যারের" আদেশে। এর মানে, তোদের আইজিপি স্যার যদি তার অফিস কক্ষে তার ধোন চুষতে বলে তাহলে তোরা সেটাও করবি।  এর মানে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি পুলিশ সমকামী।

চোদু জনতার রিঅ্যাকশন

আশ্চর্যজনকভাবে বাংলার চোদু জনতার অনেকেই পুলিশদের এসব মায়াকান্নায় কান দিচ্ছে। অনেকে বলছে "সব পুলিশই খারাপ না"। চোদু জনতার এসব আবেগকে পুঁজি করে পুলিশরাও ন-দফা দাবি নিয়ে ডিউটি করছে না। ছাত্রদেরকে গণহত্যা করার সময় ওরাও নাকি "শহীদ" হয়েছে। কোটা আন্দোলন সমন্বয়কসহ বাংলাদেশের হারমোনিয়াম বাজিয়ে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়া সুশীল সমাজও পুলিশের বিষয়ে রাতারাতি সুর নরম করে দিয়েছে। আর বাংলার আবেগী ক্ষেত খামারের লোকেরাতো কয়েক মিলিসেকেন্ডের মধ্যেই মেন্টালিটি পরিবর্তন করে ফেলে। তবে বাংলাদেশের অবস্থা আবার আওয়ামীলীগের আমলের মতো হয়ে যাবে, যদি দেশের প্রত্যেকটি পুলিশকে চাকরিচ্যুত করে কারাগারে নিক্ষেপ না করা হয়।

তাহলে দেশের মানুষের নিরাপত্তা দেবে কে?

এই প্রতিবেদনে আমরা বাংলাদেশের "পুলিশ" নামক লাইসেন্সধারী সন্ত্রাসীদেরকে সন্ত্রাসী বলিনি পাঠকের বিভ্রান্তি এড়াতে। বাংলাদেশের পুলিশরা যা করে, সন্ত্রাসীরাও তা-ই করে। সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে সেবা পাওয়ার আশা করা হাস্যকর বিষয়। গাড়ির জানালা খোলা থাকা অবস্থায় মোবাইলে কথা বলার সময় মোবাইল কেউ টান মেরে চুরি করার পর পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়ে ওদের কাছে সাহায্য পাওয়ার চেয়ে খড়ের মধ্যে সুচ খুঁজে পাওয়া সহজ। কারণ পুলিশও চুরি-চামারিতে ব্যস্ত, সাহায্যের সময় নেই। আমি এও দেখেছি যে এক ব্যক্তি পুলিশ স্টেশনে গিয়ে মাদক কিনে আনছে। মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জব্দ করা মাদক বিক্রি করে দেশের সবচেয়ে বড় মাদক ব্যাবসায়ীতেও পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের এই তথাকথিত পুলিশ বাহিনী। বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়া একটি আলাদা গ্রহের মতো যেখানে পশ্চিমা সংস্কৃতি কায়েম করা প্রায় অসম্ভব। পুলিশ একটি পশ্চিমা সংস্কৃতির অংশ যেটা ব্রিটিশ আমলে এদেশে আমদানি হয়েছে। পুলিশের মতো এসব পশ্চিমা কনসেপ্ট চোদু জনতার দেশে আমদানি করা কুকুরের পেটে ঘি হজম করানোর মতোই কঠিন। যতই এদেশে পশ্চিমা সংস্কৃতি আমদানির ব্যর্থ চেষ্টা হবে, ততই দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে থাকবে। এজন্য পুলিশ ছাড়াই এদেশের মানুষ বেশি নিরাপদ। পশ্চিমা সংস্কৃতি গ্রহণের নামে দেশীয় সমাজের কিছু মানুষ যেসব ছ্যাঁচড়ামি করে থাকে সে বিষয়ে আমরা পূর্বের একটি প্রতিবেদনে আলোচনা করেছি।

]]>
<![CDATA[হেলিকপ্টারে চড়ে আওয়ামী বেশ্যার ভারতে পলায়ন, ডিগবাজি মেরে ইউনূসের ক্ষমতা গ্রহণ এবং বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।]]>বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ, যেদেশটি যুদ্ধ করে গর্বে

]]>
https://bongoboltu.com/new-bangladesh/66b29ab2d972540001fe61baTue, 06 Aug 2024 23:22:07 GMT

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ, যেদেশটি যুদ্ধ করে গর্বের সঙ্গে স্বাধীন হয়েছে। আর বাকি দেশগুলো ব্রিটিশদের কাছে স্বাধীনতা ভিক্ষা পেয়েছে। ব্রিটিশ আমলেও এখানকার লোকেদের ভয়ে শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের লোম খাড়া হয়ে যেত। এমন ঘাড়ত্যাড়া জাতি পৃথিবীতে খুব কমই আছে। নিজের অধিকারের জন্য এবং অবিচারের বিরুদ্ধে যুগ যুগ ধরে লড়াই করে এসেছে এই ঘাড়ত্যাড়া জাতি। আজ ভেনিজুয়েলা, রাশিয়া, বেলারুশ, হংকংয়ের মতো দেশের আমজনতাও সরকার হটানোর জন্য বাংলাদেশকে শিক্ষক হিসেবে দেখছে। ভারত নামক প্রতিবেশী দেশ, যেদেশটি রাস্তায় মলত্যাগ করার জন্য বিখ্যাত, সেদেশটি আওয়ামী বেশ্যাকে আশ্রয় দিয়ে এখন তাদের মিডিয়া দেখাচ্ছে ভয়ংকর রকমের বাংলাদেশ বিরোধী ফেক নিউজ। পুরাতন ছবি, ভিডিও দেখিয়ে বলছে বাংলাদেশে নাকি হিন্দু হামলা চলছে। ওরা বাংলাদেশের আমজনতাকে হিংসা করে। বাংলাদেশের যুবা বয়েসীরা এই সরকারকে উৎখাত করে যে পুরুষত্ব দেখিয়েছে, চাটুকার ভারতীওদের সেটা সহ্য নয়!!! এখন ওরা দাবি করছে ভারতের হিজড়া আর্মি বাংলাদেশের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে, যারা দুদিন আগেও ভারতের হাজার কিলোমিটার ভূখণ্ড হারিয়ে চাইনিজদের লাঠির আঘাতে পাছা লাল করে দেশে ফিরে এসেছিলো। ওরা ভাবছে বাংলার আমজনতা ওদের সাথে ওই একই কাজ করবে না।

অনেকেই বলছে বাংলাদেশ এখন জামাত বিএনপির দখলে চলে যাবে। দেশের অবস্থা আফগানিস্তান হয়ে যাবে। কিন্তু যেসব যুবা বয়েসীরা বাল সরকারকে নামিয়েছে তাদের দেখে জামাতি মনে হয় না।  আর জামাতিরাই যদি এসব আন্দোলন রিমোট দিয়ে কনট্রোল করতো তাহলে সমকামিতা সমর্থনে অভিযুক্ত 'সুদখোর' খ্যাত ডক্টর ইউনূস ডিগবাজি মেরে ক্ষমতায় আসতে পারতো না। আজকালকার পুঁচকে পোলাপান জানেনা যে, জামাতীরাই ইউনূসকে প্রথম সুদখোর নাম দিয়েছিলো। শেখ হাসিনা সেটা কপি করেছিল।  আর জামাতের কনট্রোলে যদি দেশ চলেও যায়, তাতেও সমস্যা তেমন সমস্যা দেখছিনা।  কারণ জামাত যদি ক্ষমতায় আসেও (যেটা অত্যন্ত অবাস্তব), তাহলে ওরা আগের তুলনায় অনেক কম উগ্র হবে। রাস্তার ধারের গাছের কোনায় পুলিশরা আর লুকিয়ে থাকবেনা গাড়ি থামিয়ে চান্দা নেওয়ার জন্য। চান্দা-ধান্দার দিন শেষ হয়ে যাবে।  তবে আমার বিশ্বাস জামাতসহ কোনো উগ্র দল ক্ষমতায় আসবে না, তবে সংসদের দু-তিনটে সিট পেতে পারে।

বাংলার আমজনতার জন্য আমার পরামর্শ:

হে বাংলার চোদু জনতা, তোমরা তোমাদের চাটুকারী বৈশিষ্ট্য ত্যাগ করো। ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার সব অঞ্চলের লোকেদের মতো তোমাদেরও চাটুকারী বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার জন্য তোমরা আজও পিছিয়ে। তোমাদের অনেকেই শেখ হাসিনার পা চেটেছো এবং নির্লজ্জের মতো চাটুকারিতা করেছো। আবার অনেক নির্লজ্জ মাল প্রধানমন্ত্রীকে 'মা' বলেও সম্বোধন করেছে। নেতাহাতাদেরকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পরিবর্তে তোমরা ওদের পিঠে মেখেছো তেল। যার জন্যই তোমাদের দেশের আজ এই অবস্থা।  এজন্য বাংলার আমজনতার কাছে আমার আহ্বান, তোমরা এই চাটুকারী সংস্কৃতি বর্জন কর। নেতাহাতা অকর্ম করলে তাদের দিকে গোবর নিক্ষেপ করো। এই ইউনূস যদি চুরি চামারি করে তাহলে তার পাছায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দাও। তারপর যদি অন্যকেউ এসেও চুরি চামারি করে তাহলে তার হোগাতেও বাঁশ দিয়ে আঘাত করে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দাও। কারণ এটাই রিয়েল ডেমোক্রেসি!

]]>
<![CDATA[কোটা আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের করা গণহত্যার ছবি ও ভিডিওর আর্কাইভ।]]>বাংলাদেশের অনেক আমজনতা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে এ

]]>
https://bongoboltu.com/quota-protest-archive/66a5537c8462e000011a348eSat, 27 Jul 2024 21:56:22 GMT

বাংলাদেশের অনেক আমজনতা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনও ভালোভাবে অবহিত না। সময়টিভির মতো দেশীয় টিভি চ্যানেলগুলো সরকারের পাছায় মাখছে মাখন, আর দেখাচ্ছে মহিলা ক্রিকেটের খবর। তবে বাল সরকারের কাছে তোমাদের জীবনের মূল্য যে পোকামাকড়ের থেকেও কম, এই ছবি, ভিডিওগুলোই তার প্রমান!

0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
0:00
/
দৈনিক বঙ্গবল্টুর লেটেস্ট আপডেট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটি ফলো করুন ।

@Bongoboltu

]]>
<![CDATA[তোমরা ভয়কে ভয় করো, আইনের গোয়া মারো !!!!!]]>হে বাংলার চোদু জনতা, সামনে তোমাদের জীবনে আসিতেছে বিপদ! এই আন্দ

]]>
https://bongoboltu.com/tomraa-bhyke-bhy-kro-aainer-goyaa-maaro/66a159748462e000011a347fWed, 24 Jul 2024 19:45:21 GMT

হে বাংলার চোদু জনতা, সামনে তোমাদের জীবনে আসিতেছে বিপদ! এই আন্দোলন শেষ হলে বাল সরকারের পাওয়ার বেড়ে যাবে শতগুন। ছাত্রলীগ তোমাদের বাপের চোখ উপড়ে নিয়ে, তোমাদের মা বোনকে ধর্ষণ করে চাইবে চাঁদা। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশও করবে একই কাজ। তোমাদের ইন্টারনেট বারবার বন্ধ হবে লোডশেডিংয়ের মতো। মুজিব ফ্যামিলির সুবিধার জন্য দেশের অবস্থা হতে থাকবে উত্তর কোরিয়ার মতো। এজন্য আজ বাংলার আমজনতা, কৃষক, শ্রমিক ও যুবা বয়েসীদের কাছে আমার আহ্বান, তোমরা ওই মহিলাকে ক্ষমতাচ্যুত করার মাধ্যমে এই আন্দোলন নামক গৃহযুদ্ধ শেষ করো। বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরা যেভাবে আইন ভঙ্গ করে, তোমরাও সেভাবে আইন ভঙ্গ করো। কারণ যেদেশে আইনের লোকেরাই আইন ভঙ্গ করে, সেদেশে আইন বলে কিছু নেই।

]]>
<![CDATA[যেভাবে বাংলাদেশের মানুষের জীবনের প্রত্যেকটি সমস্যার জন্য ভারত দায়ী।]]>১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারতকে স্বাধীনতা ভিক্ষা দেয়। ভিক্ষা দে

]]>
https://bongoboltu.com/aapnaar-jiibner-smst-smsyaar-jny-bhaart-daayyii/663962f89c296c0001ec2c6eTue, 07 May 2024 14:45:13 GMT

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারতকে স্বাধীনতা ভিক্ষা দেয়। ভিক্ষা দেওয়ার কয়েকদিন আগে ভারতের ম্যাপের ওপরে দুটি ছবি এঁকে যায়। সেই দুটি ছবি আজ বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের ম্যাপ। ওরা যদি ভারতের ম্যাপের উপরে ডাইনোসরও এঁকে দিতো, তাহলে বাংলাদেশের ম্যাপের আকৃতি আজ ডাইনোসরের মতো হতো। এই বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণ করার একটাই সুবিধা এই যে নিজেকে ভারতীয় পরিচয় দিতে হয়না! এছাড়া বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করার কোনও বাড়তি সুবিধা নেই।  বাংলাদেশ, ভারতের মতো দেশে জন্মগ্রহণ করা একপ্রকারের অভিশাপ। তবে এই অভিশাপের উৎপত্তিস্থল ভারত ! ভারতের বিষাক্ত এবং নিম্নমানের সংস্কৃতি ভারতের জনগণকে যেভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করছে, ঠিক তেমনই প্রতিবেশী দেশগুলোকেও খোঁড়া বানিয়ে দিয়েছে। আমরা এই দৈনিক বঙ্গবল্টু নামক পত্রিকায় দক্ষিণ এশীয় নিম্নমানের সংস্কৃতির সমালোচনা করে থাকি। ভারতীয় চাটুকারী সংস্কৃতির প্রভাবে যেভাবে দক্ষিণ এশিয়ার লোকেরা কিভাবে পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নপ্রজাতির মানুষ হয়ে আছে তা তুলে ধরি। ব্রিটিশরা কখনোই এই নোংরা উপমহাদেশকে শাসন করতে চায়নি। ভারতীয় চোদনারাই তাদের পা চেপে ধরে রেখেছিলো। যার জন্য বর্তমান বাংলাদেশ ভূখন্ডের এই এরিয়ার লোকেরাও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভারতের নাটক, সিনেমা, গান-বাজনা সহ বিভিন্ন বিনোদন পণ্য যুগে যুগে বাংলাদেশের যুব সমাজকে গ্রাস করেছে। এককালে বাংলার যুবকেরা ভারতের পেয়ার-মুহাব্বতের সিনেমা দেখে প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে আবেগে মেয়েদের মুখে এসিড মেরেছে। ভারতের এসব সিনেমা না দেখলে ছ্যাকা খাওয়ার পর তাদের এতো আবেগ আসতো না, আর এসব সমস্যাও দেশে দেখা যেত না। ভারতীয় সংস্কৃতিকে আমি সংক্রামক মানসিক ব্যাধি মনে করি। ভারতীয় সংস্কৃতি নামক এই মানসিক ব্যাধি দক্ষিণ এশিয়ার লোকেদের চাটুকারিতা, চৌর্য্যবৃত্তি বা চুরি চামারি করার টেনডেন্সি, নির্লজ্জতা, স্বজনপ্রীতি, পরনির্ভরশীলতা, অতিরিক্ত আবেগ, পুরুষত্বহীনতাসহ  শতশত সমস্যার জন্য দায়ী। আজ এই গ্রহের প্রতি ছয়জন মানুষের মধ্যে দুজনই ভারতীয়, আর এই সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে ! অর্থাৎ ভারতীয় সংস্কৃতি পুরো মানবসভ্যতার জন্যই হুমকি। সমস্ত ভারতীয়দেরকে ভ্যানিশ করে দেওয়ার জন্য যদি কোনো ম্যাজিক বাটন থাকতো তাহলে আজই সেই বাটনে থাবা মারতাম!

সম্প্রতি পিনাকী ভট্টাচার্য নামক এক দেশপ্রেমিক ইউটিউবার বাংলাদেশের আমজনতার কাছে ভারতীয় পণ্য বর্জণের আহ্বান জানিয়েছে। শোনা যাচ্ছে আমজনতা তার ডাকে সাড়াও দিচ্ছে। ড্যামেজ কনট্রোল করার জন্য মাইক্রোফোনে চুম্বন করে ছ্যাচড়ামি দেখানো আওয়ামী লীগপন্থী ইউটিউবার এনায়েত চৌধুরী এই মুভমেন্টের বিপক্ষে ভিডিও বানিয়ে আমজনতার ব্যাপক রোষানলে পড়ে। তবে পিনাকী ভট্টাচার্যের এই মুভমেন্ট বেশিদিন স্থায়ী হবেনা। দুদিন পর আমজনতা ভুলে যাবে।  পিনাকী ভট্টাচার্যের জায়গায় আমি থাকলে বাংলার আমজনতার কাছে আহ্বান জানাতাম, ভারতের নোংরা কাঁটাতারে বেষ্টিত চোর-ছ্যাঁচোড়ে ভরা এই ভূখণ্ডকেই বর্জন করে এন্টার্কটিকায় গিয়ে নিউ বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে। পূর্বের প্রতিবেদনে আমরা এ বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা তুলে ধরেছি।

]]>